সাত নারীর সফলতার ৭ মন্ত্র! কিজন্য তারা সফল জেনে নিন

ব্যস্ত থাকার অন্য একটি অর্থ হলো, নিজের দিকে কম খেয়াল দেওয়া। ব্যস্ততাকে জীবনের সঙ্গী করতে চাইলে স্বাস্থ্যে যত্ন নিতে হবে। পৃথিবীর সফল মানুষরা এ বিষয়ে সচেতন। এখানে ৭ জন সফল নারী তাদের সফলতার পেছনে বিশেষ মন্ত্রের কথা জানিয়েছেন এখানে। ব্যস্ত এবং ক্যারিয়ার নিয়ে লড়াই করছেন এমন নারীরা সহজেই তাদের প্রাত্যাহিক জীবনের বিশেষ অভ্যাসকে মন্ত্র হিসেবে গ্রহণ করতে পারেন।

১. সকালের পাখি : নাসার সাবেক ডেপুটি অ্যাডমিনিস্ট্রেটর লোরি গারভার সফলভাবে তার দায়িত্ব সম্পন্ন করে গেছেন। বর্তমানে তিনি ‘দ্য জায়ান্ট স্টেপস ইন স্পেস এক্সপ্লোরেশন’ নিয়ে কাজ করছেন। তিনি তার সফলতার পেছনে অন্যতম কারণ হিসেবে তুলে ধরেছেন নিয়মিত সকালে ওঠার অভ্যাস গড়ে তোলার কথা। জানান, প্রতিদিন সকাল ৬টায় ঘুম থেক উঠি। অনেক সকালে উঠে ব্যায়াম করা আমার অন্যতম কাজের একটি। প্রতি সাপ্তাহিক ছুটিতে ইয়োগ ক্লাস কখনো বাদ দেইনি। যত ব্যস্ততাই থাক না কেন, সকালে উঠে ব্যায়াম আমার অন্যতম একটি কাজ।

২. ইয়োগাই একমাত্র সমাধান : জেন্ডার প্রাউডের প্রতিষ্ঠাতা এবং পরামর্শদাতা জিনা রোসেরো। তার দিন কাটে দারুণ দৌড়াদৌড়ির মধ্য দিয়ে। তিনি একাধারে মডেল, প্রোডিউসার, বক্তা এবং পরামর্শদাতা। তার কাজের ক্ষেত্র বিশাল। এ ব্যস্ততাকে কাজে লাগানোর একটি উপায়ই খুঁজে পেয়েছেন জিনা। ইয়োগাই তাকে নিয়মিত কর্মক্ষম রেখেছে।

৩. সময়সূচি ধরে ব্যস্ততা : সম্পর্ক এবং আধ্যাত্মবাদ বিষয়ক এক্সপার্ট মিখাইলা বোহেম বছরের ২০ সপ্তাহ পৃথিবীর যেকোনো স্থানে থাকেন। এই ক্যারিয়ারে মানিয়ে নিতে একমাত্র উপায় হিসেবে নির্দিষ্ট সময়সূচি মেনে চলার কথা বলেছেন।

৪. বাড়িতে ব্যায়াম : পার্সলে হেলথ-এর প্রতিষ্ঠাতা রবিন বারজিন গোটা দিনই ব্যস্ত থাকেন। ইয়োগা বেশ কাজে লাগে তার। কিন্তু বাড়িতেই ব্যায়ামের অভ্যাস গড়ে তুলেছেন তিনি। আর বাইরে গেলে যতটা পারা যায় হেঁটে নেন। এই ব্যায়াম তাকে গোটা দিনের কাজের শক্তি জোগায়।

৫. যাই ঘটে যাক, ৮ ঘণ্টা ঘুম : সিএনএন-এর পলিটিক্যাল কমেন্টেটর স্যালি কোহেন জানান, তার ব্যস্ততাপূর্ণ জীবনের মূল প্রাণশক্তি ঘুম। যাই ঘটে যাক, প্রতিরাতে ৮ ঘণ্টা ঘুম তার অতি জরুরি। ঘুমই তার ক্লান্তদেহে পরদিন কাজের শক্তি ফিরিয়ে দেয়।

৬. একবার যোগাযোগবিচ্ছিন্ন হওয়া : লেখক, চলচ্চিত্র নির্মাতা এবং কালচারাল প্রোডিউসার ড্রিম হ্যাম্পটন কাজ করতে করতে হাঁপিয়ে ওঠেন। দিনের একটা সময় তাই প্রয়োজন ঝামেলাহীন বিশ্রাম। মানসিক স্বাস্থ্যটাকে ঠিক রাখতে তিনি নির্দিষ্ট একটা সময় স্মার্টফোন, ল্যাপটপ বা কম্পিউটার থেকে দূরে থাকেন। এটা একটানা কয়েক দিনের জন্যেও হতে পারে।

৭. বহু কাজ বন্ধুদের আড্ডায় : একজন গৃহিনী স্টেসি শের। কিন্তু দারুণ ব্যস্ত থাকতে হয়। অনেক সময়ই দৈহিক ও মানসিকভাবে ক্লান্ত হয়ে পড়েন। তবে দারুণ একটা সমাধান বের করেছেন। ব্যায়াম শুরু করেছেন। তবে তা কোনো না কোনো বন্ধুর সঙ্গ ছাড়া এটা হয়ে ওঠে না। অন্যান্য কাজও তিনি বন্ধুদের আড্ডায় করতে পছন্দ করেন। এতে কাজের পেরেশানি বোধ হয় না। অন্যান্য গৃহিনীদের সঙ্গে ভালো বন্ধুত্ব গড়ে তুলেছেন। সবাই একসঙ্গে যেকোন কাজ অনায়াসে করে ফেলেন। সূত্র : ফক্স নিউজ

About Mokaddes

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *