তৈলাক্ত চুলকে একটু কেয়ার করুন

দিনে দিনে গরম বাড়ছে, এবং গরমের সাথে বাড়ছে ধুলো মাটি ও তাপ. আপনার চুল যদি হয় তৈলাক্ত তাহলে ভালোকরেই ধ্যান দেওয়া দরকার. কি করে বুঝবেন চুল তৈলাক্ত ধাঁচের কি না? দু দিন আগেই চুলে শ্যাম্পু করেছিলেন আর আজ চুল তেল-তেল করছে? কিন্তু রোজ-রোজ চুলে শ্যাম্পু দেওয়া যাবে না, চুলে ফলিকলস খারাপ হয়ে যাবে যে. তাহলে এবার আপনার রান্নাঘরে যান আর দেখুন কি-কি রন্ধন জিনিস দিয়ে আপনি আপনার চুল স্বাস্থ্যকর করে নিতে পারেন.

১. ঘৃতকুমারী: চুল ও ত্বকের জন্য এক বরদান হলো ঘৃতকুমারী গাছ. তিন চামচ লেবুর রস, ১ চামচ ঘৃতকুমারী জেল এবং এক কাপ শ্যাম্পু. এই মিশ্রণটা দিয়ে সপ্তাহে দুবার চুল ধুবেন তাহলে চুলের তৈলাক্ত ভাব অনেকটা দূরে থাকবে

২. খড়িমাটি / মুলতানি মাটি: খড়িমাটি প্রকৃত ভাবে তেল বা জল চুষে নেয়. কেননা আপনার চুল থেকে অনেকটা ঘাম ও তেল বেরহয়ে, সেইক্ষেত্রে খড়িমাটি আপনার জন্য শ্রেয় হবে. একটা হেয়ার প্যাক বানান. ২ চামচ খড়িমাটি একটু জল. এই প্যাকটি চুলে ২০ মিনিট লাগিয়ে ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে নিন.

৩. লাল চা: একটা বাটিতে আধা কাপ জল নিন. দু চামচ চা পাতা যোগ করুন. এবার বিনা চিনির লাল চা তৈরী করুন. চা ছেকে মাথা ধুয়ে নিন. ২০ মিনিট এমনি চুল রেখে দেবেন, তারপর উষ্ণ গরম জল দিয়ে চুল ধুয়ে নেবেন.

৪. লেবুর রস: লেবুর অনেক উপকার, এই কথা আপনারা সবাই জানেন. চুলের জন্য এক কাপ লেবুর রসে জল মিলিয়ে ফেঁটীয়ে নিন. এইটা চুলে লাগিয়ে ১০-১৫ মিনিট রেখে দিন. ঠান্ডা জল দিয়ে মাথা ধুয়ে নিলেই ভালো ফল পাবেন.

৫. ডিম ও লেবুর রস: ডিম ও লেবুর রস আপনার চুলের জন্য চমৎকার করতে পারে. দুটো ডিম নিন, কুসুম আলাদা করে দিন. এতে লেবুর রস মিশিয়ে নিন. ভালোকরে চুলে লাগিয়ে ১০ মিনিটের জন্য ছেড়ে দিন. হয়ে গেলে ভালো করে চুল ধুয়ে নেবেন.

এবার দেখলেন নানা প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করে আপনার চুল কত ভালো ও সুন্দর হয়ে যেতে পারে.

About Mokaddes

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *