এই সময় চুলের ধরণ বুঝে বেছে নিন হেয়ার প্যাক

চুলের সমস্যায় কমবেশি সবাই ভোগেন। শীত আসলে যেন এই সমস্যা বেড়ে দ্বিগুণ হয়ে যায়। শুধু যে শীতের সময় তা কিন্তু নয় সারা বছরই খুশকি, চুল পড়ার সমস্যা পোহাতে হয় নারী, পুরুষ সবারই।
তবে ঘরেই এর যত্ন নিতে পারেন। ঘরোয়া উপায়ে তৈরি হেয়ার প্যাক চুলের জন্য খুবই ভালো। স্বাস্থ্যজ্জ্বল চুল, সেই সঙ্গে খুশকির সমস্যা দূর করবে। চুল পড়াও বন্ধ হবে কয়েক দিনেই। তাহলে জেনে নিন কোন ধরনের চুলে কী প্যাক ব্যবহার করবেন-

শুষ্ক চুলের জন্য
শুষ্ক ও রুক্ষ চুলের জন্য হাইড্রেটিং হেয়ার মাস্ক উপযুক্ত। এতে চুলের পুষ্টি বাড়বে পাশাপাশি শুষ্কতা দূর হবে। হেয়ার মাস্ক ব্যবহারের ফলে চুলের বৃদ্ধিও ভালো হয়। আপনি কন্ডিশনার এবং গ্লিসারিন যুক্ত মাস্ক ব্যবহার করতে পারেন। এক্ষেত্রে মেথি ও নারকেল তেল বেশ কার্যকর। মেথি ভিজিয়ে রেখে বেটে নিন। নারকেল তেল মিশিয়ে চুলে লাগান। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন।

কোঁকড়া চুলের জন্য
যাদের কোঁকড়ানো চুল তাদের অন্যদের চেয়ে একটু বেশিই ঝামেলা পোহাতে হয়। কেননা কোঁকড়ানো চুলে খুব তাড়াতাড়ি জট বেঁধে যায়, শুষ্ক থাকে প্রায় সারাবছর। এজন্য এ ধরনের চুলের জন্য হেয়ার প্যাক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সপ্তাহে একবার অন্তত হেয়ার মাস্ক লাগানো উচিত। এতে চুল উজ্জ্বল হয়। এক্ষেত্রে ড্যামেজ রিপিয়ার রিকন্সট্রাকশন হেয়ার মাস্ক ব্যবহার করতে পারেন।

পাতলা চুলের জন্য
পাতলা চুলের জন্য লাইট ওয়েট হাইড্রেটিং জোজোবা অয়েল উপযুক্ত। পাতলা চুল যদি বেশি শুষ্ক হয়, তবে হেয়ার কন্ডিশনার মাস্ক ব্যবহার করতে পারেন। পাতলা চুলে পুষ্টি জোগাতে নারকেল তেলও ব্যবহার করতে পারেন।

তৈলাক্ত চুলের জন্য
তৈলাক্ত চুলের যত্ন নেয়া একটু কঠিন। এই ধরনের চুলে আর্দ্রতার প্রয়োজন হয় না। এক্ষেত্রে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট যুক্ত হেয়ার মাস্ক ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়াও চুলের গোড়ায় নারকেল তেল লাগান এবং গরম পানিতে তোয়ালে ভিজিয়ে নিংড়ে মাথায় জড়িয়ে রাখুন। আধা ঘণ্টা পর শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। ব্যবহার করতে পারেন ডিমের হেয়ার প্যাকও।

About Mukshedul Hasan Obak

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *