ঐশ্বরিয়ার জন্মদিন ভুলে গিয়েছিলেন অভিষেক

বলিউডের এক একটি সিনেমায় এক এক রকম রূপে হাজির হয়েছিলেন ঐশ্বরিয়া। মানুষ সেগুলো মনে রেখেছে আজ। ধরা যাক ‘দেবদাস’ ছবির কথা। মাধুরী ও শাহরুখের সঙ্গে তাঁর এই ছবি এখন কালজয়ী ছবির তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে। পারুর চরিত্রে তাঁর অভিনয়, ‘ডোলা রে ডোলা’ গানে মাধুরীর মতো নৃত্যপটীয়সীর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে নাচ! ভাবা যায়? ছবিটির জন্য ফিল্মফেয়ার পুরস্কার পেয়েছিলেন তিনি। ‘রেইনকোট’ ছবির রহস্যময় প্রেমের গল্পে তাঁকে গ্ল্যামারহীন করেও দাবিয়ে রাখা যায়নি। সাধারণ গৃহবধূ হয়েও অভিনয় দিয়ে জাতীয় পুরস্কার জিতিয়েছিলেন তিনি। ‘গুরু’ ছবিটার কারণে অভিষেকের নিকটবর্তী হতে পেরেছিলেন তিনি। এগুলো ছাড়াও ‘যোধা আকবর’, ‘গুজরিশ’, ‘হাম দিল দে চুকে সানাম’, ‘তাল’, ‘হামারে দিল আপকে পাস হ্যায়’ কোনো ছবির কোনো চরিত্রকেই অন্য চরিত্রগুলোর সঙ্গে মেলানো যাবে না।

শোনা যায়, শাশুড়ি জয়া বচ্চনের সঙ্গে ঐশ্বরিয়ার সম্পর্ক তেমন ভালো নয়। সে কারণে তাঁরা নাকি এক বাড়িতে থাকেন না। শাশুড়ি ও বউয়ের সম্পর্ক নিয়ে নানা রকম গল্প প্রচলিত আছে, যেমনটি দেখা যায় বিভিন্ন টেলিভিশন ধারাবাহিক ও সিনেমায়। যদিও এখন শোনা যাচ্ছে, জয়া ও ঐশ্বর্যের সম্পর্কের অনেক উন্নতি হয়েছে। জয়ার জীবনীচিত্রেও অভিনয় করার কথা রয়েছে পুত্রবধূর। এর আগে ‘কফি উইথ করণ’ অনুষ্ঠানে জয়া বচ্চনও দারুণ প্রশংসা করেছিলেন তাঁর। বলেছিলেন, ‘ঐশ্বরিয়াকে আমি খুবই ভালোবাসি। বাড়িতে তাঁর মতো একজন তারকা বউ আছে, সেটা ভাবতেই ভালো লাগে। সে খুবই সাধারণ। আমরা একসঙ্গে খুব মজাও করি।’ অভিষেক একটি সাক্ষাৎকারে মা ও বউয়ের সম্পর্ক নিয়ে বলেছিলেন, ‘মা ও অ্যাশ আমার বিরুদ্ধে দল গড়েছে। অনেক সময় তাঁরা বাংলায় কী কী সব বলেন। তখনই আমি বুঝে ফেলি যে আমাকে নিয়ে কিছু একটা বলছে।’

ঐশ্বরিয়াকে শেষ দেখা গিয়েছিল ২০১৮ সালে ‘ফেনি খান’ ছবিতে। তাঁর বিপরীতে ছিলেন রাজকুমার রাও ও অনিল কাপুর। এরপর তামিল ছবি ‘পন্নিয়েন সেলভানে’তে দেখা যাবে তাঁকে। ১৯৯৪ সালে বিশ্বসুন্দরী খেতাব জিতে নেওয়া ঐশ্বরিয়া ভারতবাসীর হৃদয় জিতে নিয়েছেন তাঁর অভিনয় দিয়ে।

About Mukshedul Hasan Obak

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *