চুল ভালো রাখতে চাইলে গোসলের সময় অবশ্যই যে ৯টি কাজ করতে হবে

অধিকাংশ মানুষই কেন জানি চুলের যত্নের বিষয়ে কিছুটা অনিহা। ফলে অনেক নারী-পুরুষের অকালে চুল ঝরে যায়। কিন্তু আমরা গোসলের সময় যদি ৯টি জরুরী কাজ করি তাহলে অনেকাংশে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারি। সতর্কতা :

১। তোয়ালে দিয়ে ঘষে ঘষে চুল মোছার অভ্যাস বাদ দিন। এই বাজে অভ্যাসের কারণে চুলের আগা ফেটে যায় ও প্রচুর চুল ঝরে।

২। গোসলের পর অনেকটা সময় মাথায় তোয়ালে পেঁচিয়ে রাখবেন না। এতে চুলের ওপরে চাপ পড়ে, চুল ভেঙে যায়, যত দ্রুত সম্ভব চুল শুকিয়ে ফেলুন।

৩। অনেকেই আছেন দুপুরে বা রাতে গোসলের পর চুল পুরোপুরি না শুকিয়েই ঘুমিয়ে পড়েন, এই কাজটি মোটেও করবেন না। এতে চুলের গোঁড়া দুর্বল হয়ে যায়।

৪। চুল দ্রুত শুকাবার জন্য হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহার করা বা রোদে বসে চুল শুকানো আরেকটি ভুল অভ্যাস। অতিরিক্ত উত্তাপে চুলের মারাত্মক ক্ষতি হয়। ফ্যানের বাতাসের নিচে চুল শুকানোই উত্তম।

৫। গোসলের সময়ে প্রতিদিন চুল ধোয়া থেকে বিরত থাকুন। আপনি দৈনিক কতটা সময় বাইরে থাকেন সেটার ওপরে নির্ভর করে চুল ধোবেন। চুল নোংরা না হলে রোজ চুলে পানি লাগানোর কোনো প্রয়োজন নেই। বিশেষ করে যাদের বেশি লম্বা ও ঘন চুল, তাঁরা তো মোটেও এটা করবেন না। এমন চুল শুকাতে সময় লাগে, অনেকটা সময় গোঁড়া ভেজা থাকার ফলে চুল দুর্বল হয়ে যায়। দিনে ২/৩ বার গোসলের অভ্যাস থাকলেও ২/৩ বারই চুল ভেজাবেন না।

৬। রোজ চুলে শ্যাম্পু করবেন না, সেটা যত ভালো ও দামী শ্যাম্পুই হোক না কেন।

৭। প্রত্যেকবার শ্যাম্পু করার সময় কন্ডিশনার ব্যবহার করা আরেকটি বড় ভুল। আমরা প্রায় সকলেই মনে করি যে কন্ডিশনার লাগালে চুল ভালো থাকে। এটি আসলে খুবই ভুল একটি ধারণা। কন্ডিশনার লাগালে চুল ভালো থাকে না, বরং সাময়িক একটা নরম ও উজ্জ্বলতা আসে কন্ডিশনারে উপস্থিত রাসায়নিকের কারণে যা মোটেও ভালো নয়। বরং নিয়মিত কন্ডিশনার ব্যবহার করলে চুল পড়ার হার বেড়ে যায় অনেক বেশী।

৮। গোসলের পর পরই ভেজা চুল আঁচড়াবেন না। গোসলের পর চুল থাকে নরম ও ভঙ্গুর। এমন সময়ে আঁচড়ালে চুল ভেঙে ও ঝরে যাওয়ার হার বেড়ে যায় অনেক।

৯। গোসলে যাওয়ার আগে বা শ্যাম্পু করার আগে মোটা দাঁতের চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়ে নিন। এতে চুলে জট পড়বে না, চুল ভাঙবে না ও ছিঁড়বে না।

About Mukshedul Hasan Obak

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *