চিবিয়ে খেতে বলুন বাচ্চাকে না হলে দাঁতের দফারফা

খেতে বসলেই অনেক বাচ্চার মুখ ভার, হাজারও বায়না। মুখে খাবার নিয়ে দীর্ঘ সময় বসে থাকার অভ্যাস রয়েছে কারও কার। সময় বাঁচাতে অনেকে অভিভাবক ছোটদের জন্য নরম খাবার বেছে নিচ্ছেন। তাতে বাচ্চার পেটতো ভরছে, কিন্তু কাজের কাজ হচ্ছে কী! এই চটজলদি সমধান ভবিষ্যতে বড় সমস্যা ডেকে আনছে না তো?

চিকিসৎকরা বলছেন, চিবানোর অভ্যাস না হলে বরবাদ হবে শিশুর দাঁতের ভবিষ্যত। নরম খাবার সহজেই দাঁতের ফাঁকে জমে যায়। এই খাবার ব্যাক্টেরিয়াদেরও সমানভাবে পুষ্ট করে। ফলে স্বল্প সময়েই দাঁত ও মাড়ি নষ্টের সম্ভাবনা থাকে। আঠালো খাবারের ক্ষেত্রেও একই সমস্যা হয়। নরম, মিষ্টি, আঠালো খাবার দাঁতের দফারফা করে। এমনকি মিষ্টি পানীয়, বাজারজাত ফলের রসেও দাঁতের ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে।

দন্ত বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চিবিয়ে খেলেই শক্তিশালী হয় দাঁত। তাঁদের যুক্তি, চেবানোর সময় মুখে বেশি করে লালা উৎপন্ন হয়। ফলে এই লালা দাঁতের ফাঁকে জমা থাকা খাবার দূর করতে সাহায্য করে। ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার চিবিয়ে খেলে জোরদার হয় দাঁত। ফল-সবজি চিবিয়ে খেলেও ভাল থাকে দাঁত।

সুস্থ দাঁতের জন্য খেতে হবে
চিজ, মাখন, দুধ, ফাইবার সমৃদ্ধ যে কোন খাবার, সবুজ শাক সবজি, গাজর, ব্রকোলি, আপেল, ডিম ইত্যাদি।

যেসব খাবারে দাঁত নষ্ট হয়
মিষ্টি, মিষ্টি জাতীয় যে কোন পানীয়, সাইট্রাস যুক্ত ফলের রস, লজেন্স, ক্যান্ডি, চিপস, পাউরুটি, পাস্তা ইত্যাদি।

অবশ্যই রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এবং সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর সন্তানকে দাঁত ব্রাশ করতে বলুন।

About Mukshedul Hasan Obak

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *