কোল্ড প্রেসড অয়েলে ত্বকের যত্ন

শীতকালে তো অনেক তেল আর লোশনই আমরা ব্যবহার করে থাকি। তবে কোল্ড প্রেসড অয়েলের নাম কি শুনেছেন? বিভিন্ন ফুল এবং ফলের বীজ ভেঙে কোল্ড প্রেসড অয়েল তৈরি হয়। এগুলো সবই প্রাকৃতিক হয়ে থাকে। কারণ এই তেল তৈরি পদ্ধতিতে কোনো রাসায়নিক ব্যবহার করা হয় না।

এসেনশিয়াল অয়েলে ফল বা ফুলের সুগন্ধকে তেলে পরিণত করা হয়। আর কোল্ড প্রেসড অয়েলের নামের মধ্যেই পদ্ধতিটি বলা রয়েছে। এখানে ফুল বা ফলের বীজ গুঁড়ো করে তেল বের করা হয়। দুটোর ব্যবহারবিধিও সম্পূর্ণ আলাদা।

সাধারণত অ্যারোমাথেরাপিতে এসেনশিয়াল অয়েল ব্যবহার করা হয়। কোল্ড প্রেসড অয়েল সাধারণ ভাবে ত্বকের যত্নের জন্য ব্যবহার করা হয়।

গুণাগুণ

কোল্ড প্রেসড অয়েল ম্যাসাজ অয়েল হিসেবে ব্যবহার করা যায়, আবার ফেস অয়েল হিসেবেও হয়ে থাকে। কোল্ড প্রেসড হোহোবা অয়েল, আমন্ড অয়েল, কোকোনাট অয়েল এবং অলিভ অয়েল ম্যাসাজের উপকারিতা বেশ কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেয়।

কারণ এতে কোনো প্রিজ়ারভেটিভ থাকে না। ফলে সব ধরনের ত্বকে এটা ব্যবহার করা যায়। তবে ফেস অয়েল হিসেবে ব্যবহার করলে পঁচিশ বছরের বেশি হলেই করবেন। কারণ তাদের ত্বকেই এর কার্যকারিতা বেশি।

কোল্ড প্রেসড আমন্ড অয়েলের সঙ্গে সুইট অরেঞ্জ এসেশিয়াল অয়েল এবং রোজ এসেনশিয়াল অয়েল মিশিয়ে বডি ম্যাসাজ করতে পারেন। ত্বক মসৃণ হবে, তার উজ্জ্বলতাও বাড়বে।

চুলের জন্য কোল্ড প্রেসড কোকোনাট অয়েলের সঙ্গে আর্গান অয়েল তিন-চার ফোঁটা মেশান। তার সঙ্গে ল্যাভেন্ডার অয়েল পাঁচ ফোঁটা এবং প্যাচুলি এসেনশিয়াল অয়েল তিন ফোঁটা মিশিয়ে চুলে ম্যাসাজ করুন। খুশকি দূর হবে, চুল নরম হবে, গোড়া মজবুত হবে।

আর এই তেলেই হোহোবা কোল্ড প্রেসড অয়েল মেশালে চুলের উজ্জ্বলতা বাড়বে। এক কাপ কোল্ড প্রেসড হোহোবা অয়েলে ২-৩ ফোঁটা বার্গামট এসেনশিয়াল অয়েল, ১০-১২ ফোঁটা ল্যাভেন্ডার অয়েল, ৮-৯ ফোঁটা মায়ার অয়েল এবং ৪-৫ ফোঁটা রোমান ক্যামোমাইল অয়েল মিশিয়ে ম্যাসাজ করলে পেশি ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

About Mukshedul Hasan Obak

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *