ঝুলে যাওয়া পেটের সর্বোত্তম সমাধান

পেটের চর্বি কিছুতেই কমছে না ? বরং দিনদিন বেড়েই চলেছে ? চামড়া ঝুলে গিয়ে নষ্ট হয়ে গেছে পেটের সহজাত সৌন্দর্য? কাঙ্ক্ষিত সমাধান আছে কি আমাদের দেশে ?

এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বেড়ান অনেকেই। বিশেষ করে গর্ভাবস্থা কাটিয়ে মহিলারা স্বাভাবিক জীবনে ফিরলে ও পেট যেন আর আগের অবস্থায় ফিরে না।ঝুলে যাওয়া চামড়া,অতিরিক্ত চর্বি এবং গর্বাবস্থার দাগ (striae graviderum) এই তিন এ মিলে পেটের যেন ১২টা বাজিয়ে ফেলে, প্রচন্ড সৌন্দর্যহীনতায় ভোগে তলপেট।শরীরের শেপ নস্ট হয়ে যায়, কাজে আসে ক্লান্তি, আর এর সাথে যোগ হয় দাম্পত্য জীবনের দুরত্ব।

অনেকেই চটকদারী বিজ্ঞাপনের ফাঁদে পরে ঘরোয়া বিভিন্ন প্যাক ব্যবহার করেছেন যার ফলাফল শূন্য, নিয়মিত ব্যায়াম করছেন ফলে চর্বি কিছুটা কমেছে কিন্ত ঝুলে যাওয়া পেটের কোনো পরিবর্তন হচ্ছেনা।পরিবর্তন হওয়ার কথাও না কারণ পেট ঝুলে যাওয়ার জন্য শুধু চর্বিই দায়ী নয়, মুল কারণ হল দীর্ঘদিন পেটের দেয়ালের উপর বহির্মুখী অতিরিক্ত চাপের জন্য (প্রচুর চর্বি বা গর্ভাবস্থার জন্য) পেটের মাংসপেশী এবং পেশীর আবরনের ইলাস্টিসিটি নস্ট হয়ে যায়যা পুর্বের অবস্থায় ফেরতযোগ্য নয়।পরিধেয় কাপড়ে সংযুক্ত ইলাস্টিক একবার ঢিলা হয়ে গেলে যেমন আর আগের অবস্থায় ফেরত নেয়া সম্ভব নয় ঠিক তেমন।

এই অবস্থা থেকে পরিত্রাণের একমাত্র উপায় হল লাইপোসাকশনের মাধ্যমে কাংখিত স্থানের চর্বি অপসারণ,বাড়তি চামড়া সার্জারির মাধ্যমে কেটে ফেলা এবং ঢিলা মাংসপেশিকে টাইট করা।এই অপারেশনের নাম লাইপোএবডোমিনোপ্লাস্টি যা কেবল বিশেষ প্রশিক্ষনপ্রাপ্ত এসথেটিক/কসমেটিক সার্জনরা করে থাকেন।
এই অপারেশনে রোগির সন্তষ্টি অনেক বেশী।

About Mukshedul Hasan Obak

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *