৭৯টি দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের নাম, এটাই বড় অর্জন’

আলিফ আলাউদ্দিন। সংগীতশিল্পী ও উপস্থাপক। দুবাইয়ে গ্লোবাল ভিলেজের ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে এক সংগীতায়োজনে অংশ নিয়ে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে স্থান করে নিয়েছেন তিনি। এ প্রাপ্তি ও অন্যান্য বিষয় নিয়ে কথা হয় তার সঙ্গে-

‘রকিং ১০০০’ গ্লোবাল গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস গড়েছে, যার অংশীদার আপনিও। কেমন লাগছে?

অত্যন্ত আনন্দের বিষয় এটি। প্রথমে এ প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়াটাই ছিল বড় বিষয়। পরে স্বীকৃতি ছিল সারপ্রাইজ। এত বড় একটা আসরে নিজের গান নির্বাচন হওয়া, পাশাপাশি গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের অংশীদার হতে পেরে আনন্দিত। এতে গিনেস বুকে আমার সঙ্গে নাম লিখিয়েছেন স্বামী ‘আর্টসেল’ ব্যান্ডের লিড গিটারিস্ট কাজী ফয়সাল আহমেদও। ৭৯টি দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের নাম দেখে অনেক খুশি হয়েছি।এটা বড় অর্জনও।

কীভাবে আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত হলেন?

তারা প্রথমে ফয়সালকে মেসেজ পাঠায়, তখন আমিও জয়েন করি। তারা আমাদের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানিয়ে ভিডিও পাঠাতে বলে। ‘রকিং ১০০’ ব্যান্ডের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করে প্রতিযোগিতায় অংশ নিই। তাদের নির্ধারণ করে দেওয়া চারটি গান রেকর্ড করে ভিডিওসহ পাঠিয়েছি। এ আয়োজনে এবার ৯৬০ গিটারিস্ট ও সাড়ে ৬০০ কণ্ঠশিল্পী অংশ নিয়েছেন।

আয়োজনে অংশগ্রহণের অভিজ্ঞতা কেমন ছিল?

এবারের আসরে উই ইউল রক ইউ, রকিং অলওভার দ্য ওয়ার্ল্ড, হোয়াট আ ওয়ান্ডারফুল ওয়ার্ল্ড ও ইউ গেট হোয়াট ইউ গিভ- গানগুলো পাঠিয়েছি। আমরা দেড় মাস চারটি গান টানা অনুশীলন করেছি। তারপর অনলাইনে ভিডিওটি পাঠাই। পুরো আয়োজনটিই হয়েছে অনলাইনে। সমবেত সংগীতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, সবার কণ্ঠ ও সংগীত একসঙ্গে মিলতে হবে। কাজটি অনেক চ্যালেঞ্জিং ছিল।

দীর্ঘদিন কিডনি রোখে ভুগছেন। এখন শরীরের কী অবস্থা?

আগের চেয়ে একটু ভালো আছি। তবে প্রায়ই শরীর খারাপ থাকে। অনেক বছর আমি একা যুদ্ধ করেছি পলিসিস্টিক কিডনি ডিজিজের সঙ্গে। পরিবারের সদস্যদের বাইরে যা কাউকে বলিনি। চেষ্টা করেছি সবসময় হাসিমুখে থাকতে। পরে সবার সঙ্গে শেয়ার করতে পেরে নিজেকে খানিক হালকা লাগছে।

সম্প্রতি প্রকাশ হয়েছে আপনার গাওয়া ‘অপেক্ষা’ শিরোনামের গান। কেমন সাড়া পাচ্ছেন?

বেশ ভালোই। অসাধারণ কথার এ গানটি লিখেছেন নিয়াজ আহমেদ অংশু। আর সুর-সংগীত করেছেন পঞ্চম। সামাজিক মাধ্যমেও এ গানটি নিয়ে অনেকেই ইতিবাচক মন্তব্য করেছেন।

উপস্থাপনার কী খবর?

উপস্থাপনার জন্য সময় বের করা কঠিন। করোনার কারণে ‘মিউজিক বাজ’ অনুষ্ঠানটি দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল। শিগগিরই এ অনুষ্ঠানটি নিয়ে হাজির হবো বলে আশা করছি।

About Mukshedul Hasan Obak

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *