ত্বকের যত্নে কাঁচা দুধের যত ব্যবহার

ত্বকের যত্নে কাঁচা দুধের ব্যবহার প্রাচীনকাল থেকে হয়ে আসছে। ত্বকের ধরণ যেমনই হোক না কেন কাঁচা দুধ ব্যবহার করলে স্কিন এর উজ্জ্বলতা ফিরে আসবেই। কারণ দুধে রয়েছে ভিটামিন এ, ভিটামিন ডি, যা ত্বকে নতুন কোষ গঠনে সহায়তার পাশাপাশি ত্বকের ইলাস্টিসিটি বাড়িয়ে ত্বককে করে দাগমুক্ত আর প্রাণবন্ত।

এ ছাড়া, দুধে থাকা ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, সেলেনিয়াম ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখা সঙ্গে পোড়া দাগও দূর করতে সাহায্য করে।

সম্প্রতি রূপচর্চাবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটের প্রকাশিত প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে। এ ছাড়া ত্বকের যত্নে দুধ কীভাবে ব্যবহার করা যায়, সে বিষয়ে ও বিস্তারিত জানানো হয়েছে।

ত্বকের আসল রং ফিরিয়ে আনতে: ময়লা জমে কিংবা রোদে পুড়ে গায়ের রং নষ্ট হয়ে গেলে। দুই চা চামচ কাঁচা দুধে ১ চা চামচ লেবুর রস মিক্স করে পুরো মুখে, গলায়, হাতে, পায়ে লাগিয়ে আধঘণ্টার জন্য রেখে দিন। পরে পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। এর ফলে ত্বকের রঙে সামঞ্জস্যতা আসবে এবং উজ্জ্বল হবে।

শুষ্ক ত্বকের ডিপ ময়েশ্চারাইজার হিসেবে: যাদের স্কিন অনেক বেশি ড্রাই, তারা রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে একটা তুলার বল কাঁচা দুধে ভিজিয়ে পুরো মুখে লাগিয়ে নিন। ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। ঠাণ্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। এবার আপনার পছন্দের ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে ঘুমিয়ে পড়ুন। সকালে উঠে নিজের নরম, কোমল আর দীপ্তিময় ত্বক দেখে নিজেই অবাক হয়ে যাবেন!

রোদে পোড়াভাব দূর করতে: একটা পাতলা কাপড় কাঁচা দুধে ভিজিয়ে রোদে পোড়া স্কিন-এর (মুখ, গলা, হাত, পা) ওপর আধ ঘণ্টার জন্য রেখে দিন। তারপর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। প্রতিদিন ব্যবহারে রোদে পোড়াভাব কমে যাবে

স্ক্রাব হিসেবে: চালের গুঁড়োর সঙ্গে কাঁচা দুধ আর মধু মিশিয়ে স্ক্রাব তৈরি করে নিন। সপ্তাহে কমপক্ষে ২-৩ দিন এটা দিয়ে স্কিন-কে সার্কুলার মোশনে ম্যাসাজ করে স্ক্রাবিং করে নিন ১০ মিনিটের জন্য। স্কিন-এর ডেডসেলসগুলোকে দূর করে স্কিনকে আরও বেশি উজ্জ্বল আর প্রাণবন্ত দেখাতে সাহায্য করবে।

উজ্জ্বল ত্বক পেতে: বেসন, একটুখানি কাঁচা হলুদ গুঁড়ো, কাঁচা দুধ মিশিয়ে ফেসপ্যাক তৈরি করে লাগাতে পারেন। ত্বকের কালচে ভাব দূর করে ত্বককে উজ্জ্বল করে তুলতে সাহায্য করবে।

About Mukshedul Hasan Obak

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *