জানতে পারবেন ফুলকপির সম্পর্কে সবকিছু

পূর্ব ভারতের সবচেয়ে প্রিয় সবজি ফুলকপির গুন অনেক. ১৫০ বছর পূর্বে ব্রিটিশ সাম্রাজ্য ফুলকপি কে ভারতবর্ষে আনে. চারটি প্রধান ফুলকপির ফসলের নাম মেইন এন্ড আর্লি পাটনা এবং আর্লি এন্ড মেইন বেনারস.ফুলকপির বিভিন্ন প্রকার হচ্ছে ব্রকোলি, ব্রাসেল স্পরাউট, বাঁধাকপি, কোল্লারড গ্রিন. সাধারণত আমরা ফুলকপির স্টেম ও ফুলের টিস্যু উভয়ই খাই.

সকল ফুলকপি সাদা নই, কমলা রঙ্গের একটি ফুলকপির প্রকার আছে যেটা বেটা কেরটিন ও ভিটামিন এ পুষ্টিতে ভরপুর. বেগুনি রঙ্গের ফুলকপি এন্থস্যানিন এ সমৃদ্ধ, যেটা অনেক শক্তিশালী এন্টিঅক্সিডেন্ট.আরেকটি ফুলকপির প্রকার পাওয়া যায় সবুজ রঙ্গের যেটার নাম ব্রোকোফ্লাওয়ার. ফুলকপির মধ্যে ভিন্ন পুষ্টি পাওয়া যায় যেমন প্রোটিন, ফ্যাট, কার্বোহাইড্রেট, ফাইবার, ভিটামিন বি, ভিটামিন কে এবং ফোলেটস.

স্বাস্থের জন্য ফুলকপি অনেকটা লাভদায়ক যেমন:

১: ক্যান্সারের সম্ভাবনা কম করাতে সাহায্য করে

২. জ্বলনশীলতা নির্মূল করতে সহায়ক

৩. হার্ট এবং বব্রেন এর রোগ থেকে রক্ষা করে

৪. পাচনতন্ত্র জন্য উপকারী

৫. ওজন কমাতে সাহায্য করে

৬. চুখ এবং ত্বক এর জন্য বিশেষ রূপে উপকারী

রান্নার পদ্ধতির উপর ফুলকপির পুষ্টি নির্ভর করে. ঠিক পদ্ধতিতে রান্না করলে ফুলকপির মধ্যে পাওয়া পুষ্টি ভিটামিন সি, ফাইটোনিউত্রিয়েন্ট এবং ফলাভনোএড বোজিয় থাকে. ফুলকপি কেনার সময়, নিশ্চিত করুন যে এটি পরিষ্কার, মাখনের মতো-সাদা. পাতায় ঘেরা ফুলকপি কেনার চেষ্টা করবেন. এর পাতাও অনেকটা পুষ্টিকর. ভারতবর্ষে ফুলকপি অক্টোবর এবং নবেম্বর মাশে চাষ করা হয়. পুষ্টির ক্ষতি রোধে বিশেষভাবে কাগজ বা প্লাস্টিকের ব্যাগ দিয়ে ঢেকে রাখবেন, তার স্টেম সাইড দিয়ে ফুলকপিটি সংরক্ষণ করবেন.

তাই, পরের বার যখন আপনি ফুলকপি খাবেন, মনে রাখবেন এটা একটি গুণকারী সবজি.

About Mukshedul Hasan Obak

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *