নতুন বছরে নবজাতকদের জন্য শুভসংঘের উপহার

নতুন বছরের প্রথম দিনে জন্ম নেয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়ার শিশুরা পাবে কালের কণ্ঠের পাঠক সংগঠন শুভসংঘের উপহার। উপহার হিসেবে বৃহস্পতিবার একাধিক হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও কয়েকজন চিকিৎসকদের হাতে নবজাতকদের শীতের পোশাক তুলে দেয়া হয়। ব্যতিক্রম এ উদ্যোগ ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে।

শুক্রবার (০১ জানুয়ারি) ১০০ জন নবজাতকের মাঝে এসব পোশাক বিতরণ করা হবে। প্রয়োজনে আরো পোশাক দেয়া হবে বলে শুভসংঘের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতাল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল, মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রসহ কয়েকজন গাইনি চিকিৎসক এবং অবেদনবিদের (অ্যানেসথেসিস্ট) হাতে শুভসংঘের সদস্যরা সবজাতক শিশুদের জন্য এসব শীতের পোশাক তুলে দেন।

শুভসংঘের উপদেষ্টা ও বিডি অ্যানিমেল হেলথের স্বত্বাধিকারি মো. রাসেল আহমেদের আর্থিক সহযোগিতায় কেনা এসব পোশাকের মধ্যে রয়েছে শীতের জামা, টুপি ও পায়ের মোজা।

পোশাক হাতে পেয়ে উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন সদর হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডা. মো. শওকত হোসেন। এ সময় তিনি বলেন, “একটি শিশুর জন্ম নেয়ার সময় কোনো সংগঠনের নতুন পোশাক তার জন্য বরাদ্দ থাকাটা খুবই ব্যতিক্রম বিষয়। শুভসংঘ এমনটি একটি আয়োজন করেছে বলে তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা। এমন ব্যতিক্রম উদ্যোগ নিয়ে শুভসংঘ মানবকল্যাণে আরো এগিয়ে যাবে বলে আশা করি।’

সদর হাসপাতালে পোশাক বিতরণের সময় উপস্থিত ছিলেন, সদর হাসাপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা রানা নুরুস শামস, ডা. আইরিন হক, ডা. শামীমা রহমান, ডা. ফাইজুর রহমান, ডা. হিমেল খান, ডা. খেলাঘর ব্রাহ্মণবাড়িয়া শাখার সাধারন সম্পাদক নীহার রঞ্জন সরকার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। পরে হাসপাতালের চিকিৎসক আরিফুর রহমান, গাইনি বিশেষজ্ঞ মোহিনী বেগমের হাতেও পোশাক তুলে দেয়া হয়।

কথা হলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিক্যাল কলেজ ও হাপসাতালের চেয়ারম্যান ডা. আবু সাঈদও এ উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তাঁর পক্ষে ওই হাসপাতালের গাইনি বিশেষজ্ঞ নাসিমা আক্তার, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবির, ডা. সাথী সরকার পোশাক গ্রহণ করেন।

পোশাক বিতরণকালে বিভিন্ন সময়ে উপস্থিত ছিলেন কালের কণ্ঠের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি বিশ্বজিৎ পাল বাবু, শুভসংঘের উপদেষ্টা মো. রাসেল আহমেদ, সভাপতি মো. হেদায়েতুল আজিজ মুন্না, সাধারন সম্পাদক শারমীন সুলতানা, গাজী তানভীর আহমেদ, চয়ন বিশ্বাস, শাহাদাৎ হোসেন, সৌমেন পাল প্রমুখ। সদস্যরা এ কাজে সহযোগিতার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

About Sagor Ahamed Milon

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *